March 23, 2026, 9:34 pm

সংবাদ শিরোনাম
রাস্তায় ‘মরণফাঁদ’—রংপুরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা সড়কের দায় কার? ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

শিবগঞ্জে পানিবন্দী ৩’শতাধিক পরিবার!!

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬-নং ওয়ার্ডে বর্ষায় ও পানি নিষ্কাশনে কালভার্টের দুই পাশ বন্ধ করে দেয়ায় প্রায় ৩’শটি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে ধান, মাসকলাই, বেগুনসহ বিভিন্ন ফসলী জমি। এদিকে উত্তর মকিমপুর গ্রামের একটি মাত্র সরকারি কালভার্টের দুই পাশ বন্ধ করে দেয়ায় এমন দুর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী।
সোমবার (২৮শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যম কর্মীদের পক্ষ থেকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের উত্তর মকিমপুর, মাইটাল, ঢালিয়াপাড়া ও দারিগাছী গ্রামে বর্ষার পানি ঢুকে পড়ায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া মেহনতী প্রায় ৩ শতাধিক পরিবার। ফলে ছোট ছেলে-মেয়ে ও গরু-বাছুর, মহিষ-ভেড়া, হাঁস-মুর্গী নিয়ে অন্যের জায়গায় গিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে তাদের। এমনকি রান্নাবান্না করে দু’মুঠো ভাত খেতে পারছেন না তারা। এছাড়া বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে ওই সকল গ্রামে।
এলাকাগুলোর পানিবন্দী হয়ে পড়া মানুষরা জানায়, গত দুই মাস থেকে অতি বৃষ্টি ও বর্ষার পানিতে বাড়ির আঙিনায় পানি ঢুকে যায়। ফলে ছেলে-মেয়ে ও গবাদীপশু নিয়ে বিপাকে পড়েন তারা। বর্তমানে অন্যের বসতবাড়ি ও রাস্তায় রান্নাবান্না করে দিন পার করছেন। অন্যদিকে স্থানীয় কৃষকরা জানায়, উত্তর মকিমপুর মাইঠাল মাঠের প্রায় ৬০ বিঘা ধান ও দারিগাছা গ্রামের ভুরকনদা বিলে প্রায় ৭০ বিঘা ধান তলিয়ে গেছে। এছাড়া ওই দুটি বিলে মাসকলাই, ভুট্টা, বেগুন, কলা, সবজিসহ আবাদী ফসল ডুবে নষ্ট হয়ে গেছে।
পানিবন্দী মানুষরা আরো জানায়, এলাকার চেয়ারম্যানকে একাধিকবার বলার পরও তিনি বিষয়টি দেখতে এমনকি খোঁজখবর নিতে পর্যন্ত আসেননি। অপরদিকে পুকুরের লীজ গ্রহীতারা জানায়, গত ৪/৫ বছর ধরে তারা যে পুকুরগুলো লীজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিল। হঠাৎ বৃষ্টির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পুকুরের মাছগুলো ভেসে গেছে। এতে এলাকায় প্রায় লাখ, লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে জানান তারা।
এদিকে কালভার্টের পার্শ্ববর্তী জমির একজন মালিক বলেন, কালভার্টের আশেপাশের জমির মালিকগুলোর সমন্বয়ে মাটিগুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু তারা কোনপ্রকার সারা দেয়নি। বর্তমান পরিস্থিতি অত্যান্ত খারাপ আমরা পানি বন্দি হয়ে পড়েছি।
দাইপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬-নং ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বার) মোয়াজ্জেম হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, কালভার্টের দুই দিক মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেয়ায় পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। ফলে এলাকাগুলো পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। কালভার্টের পাশের মালিককে একাধিকবার বলার পরও কর্নপাত করেননি।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুল ইসলাম জুয়েলের সাথে গণমাধ্যম কর্মীদের পক্ষ থেকে মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। এমনকি পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীদের ফোন ব্যাকও করেন নাই।
Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর